# Tags

তালার পল্লীতে বিক্রয় করা জমি না দেওয়ার অভিযোগ

শফিকূল ইসলাম, তালা, সাতক্ষীরা :সাতক্ষীরা তালার পল্লীতে বিক্রয় করা জমি রেজিষ্ট্রি না করে দেওয়ার তালবাহানার অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হাজরাকাটির ফতেপুর গ্রামে। এব‍্যাপারে তালা থানায় ৬ জনকে বিবাদি করে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন ফতেপুর গ্রামের বিধান চন্দ্র দাসের স্ত্রী অমেলা দাস। অমেলা দাস অভিযোগে উল্লেখ করেন, মৌজা ফতেপুর, খতিয়ান নং ৪৪, দাগ নং ১০২, জমির পরিমাণ ১২ শতকের মধ‍্যে ০২ শতক জমি ক্রায় করেন একই গ্রমের জগদীশ দাসের নিকট থেকে। যার ক্রয় মুল‍্য নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ টাকা। চুক্তি ভিত্তিক টাকার মধ‍্যে থেকে ২০.০৬.২৩ তারিখে নগদ ৮০ হাজার টাকা গ্রহন করে ২শত টাকার ননযুডিশিয়াল ষ্ট‍্যাম্পে বায়নাপত্র করে দেন জগদীশ দাস। পরবর্তীতে মৌখিক ভাবে আরও ২৪ হাজার টাকা গ্রহন করে একই ব‍্যাক্তি। অমেলা দাস আরোও অভিযোগ করে বলেন, আমি জমি রেজিষ্ট্রী করে দিতে বললে বিভিন্ন রকম তালবাহানা শুরু করেছে এই জগদীশ দাস। এমন কি তার দলবল নিয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে আমার বসত বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে আমাকে এবং আমার স্বামীকে বেধড়ক মারপিঠ করে এবং ঘরবাড়ি ভেঙ্গে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় জগদীশ দাস। আমার নিকট থেকে জমির টাকা গ্রহণ করে আমাকে জমির দখল বুঝে দেয় জগদীশ গং এবং সেই থেকে গত তিন বছর আমি বসত ঘর নির্মাণ করে  সেখানে বসবাস করছি। এসময় অমেলা দাস তার ক্রয় করা সম্পত্তিতে বসত ঘর নির্মাণ করে আছে বিধায় জগদীশ দাসের এই তালবাহানার হাত থেকে রেহায় পেতে প্রশাসনের উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
‎এব‍্যপারে জগদীশ দাস বলেন, বিধান দাস আমার ভাগনে জামাই। তার নিকট থেকে আমি ২ হাজার ৫ হাজার করে টাকা নিয়ে মোট ৬০ হাজার টাকা নিয়েছি। তখন আমি নিজে ওকে বলি একটা ষ্ট‍্যাম্প করে নিতে। পরবর্তীতে আমাকে আরোও ২০ হাজার টাকা দিয়ে একটি ষ্ট‍্যাম্প করে নেয়। কিন্তু ঐ ষ্ট‍্যাম্পে জমির কোন উল্লেখ নেই। কারন আমার বাবা এখনো বেচে আছে আর বাবা বেছে থাকতে আমি তো জমির মালিক না। আমি বিধানের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি টাকা দিয়ে দেব। আর জমি চইলে আমি যখন জমির মালিক হবো তখন নিতে হবে। ততদিন জমিতে সে থাকুক।