# Tags

কটিয়াদির করগাঁও ইউনিয়নে ভিজি এফ এর চাল বিতরণের সময় ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে সংঘর্ষ

আব্দুর রউফ ভূঁইয়া : কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি-মাহে রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কটিয়াদী উপজেলার করগাঁও ইউনিয়ন পরিষদে দুস্থ, অসহায় পরিবারের মাঝে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ কালে ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে স্থানীয় বাসিন্দা সিব্বিরের আহাম্মদের বাক বিতান্ডা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার ১৫ মার্চ সকালে ইউনিয়নের ১, ২, ৩, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দুস্থ অসহায় নারী এবং পুরুষদের মাঝে চাল বিতরণ কালে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ সময় চাল বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন করগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লায়ন মোঃ নাদিম মোল্লা, দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার মুকসুদ আলী, ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আ খ ম সিদ্দিক দুলাল, ইউপি সদস্যগণ, স্থানীয় বিএনপি, জামায়াতের নেতৃবৃন্দ ও ইউনিয়নের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দরা।

স্থানীয় বাসিন্দা করগাঁও (পালুয়াংকার হাটি) গ্রামের সিব্বির (পিতা: আব্দুল বাক্কার) ও জাকারিয়া (পিতা: আব্দুল হাসিম) এবং করগাঁও বাইচতার পাড়া গ্রামের খোকন (পিতা: মৃত লাইচান) অভিযোগ করেন, তারা প্রতিজনের চাল মিটারে ওজন করে দেখেন, প্রতিজনের ১০ কেজি চালের স্থলে ৮.২ থেকে ৮.৬ কেজি চাল দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে ট্যাগ অফিসার মুকসুদ আলী জানান, “ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।তিনি বলেন অভিযোগকারীরা একটি ভুয়া মিটার ওজন পরিমাপ করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করেছে। উপস্থিত সাংবাদিক ও ওয়ার্ড মেম্বারদের সামনে বাজারের আরেকটি মিটার দিয়ে পরিমাপ করা হলে দেখা যায়, প্রতি ১০ কেজিতে সর্বোচ্চ ১৫০-২০০ গ্রাম কম রয়েছে, যা সাধারণত গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যে পড়ে।”

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নাদিম মোল্লা বলেন, “অসহায় ও দুস্থদের তালিকা তৈরি করে সুষ্ঠুভাবে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু সিব্বির, জাকারিয়া ও খোকনসহ কয়েকজন বহিরাগত আমার সুনাম ক্ষুণ্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি ভুয়া মিটার ব্যবহার করে চালের ওজন কম দেখানোর চেষ্টা করেছে। আমি সেই মিটার চেক করতে চাইলে তারা উত্তেজিত হয়ে আমার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন “বাকবিতণ্ডায় জড়ানো সিব্বির ও জাকারিয়া চিহ্নিত মাদক কারবারি ও ভূমিদস্যু। তারা বিভিন্ন সময় এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং এখন চাল বিতরণ নিয়েও গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছে।

এই ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।