# Tags

দৌলতপুরে বি,এনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, অফিস ভাঙচুর, নারী সহ আহত ১২

সাইদুর রহমান দৌলতপুর কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার রিফায়াতপুর ইউনিয়নের ঝাউদিয়া গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার ২৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার দিকে ঝাউদিয়ায় সংঘর্ষ হয়। এতে নারী-পুরুষ সহ দুই পক্ষের মোট ১২ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

আহতদের মধ্যে রবিউল পক্ষের বজলু সরদার (৫০), রেজাউল সরদার (৬৫), সুমন সরদার (৪৬), হেলাল সরদার (২০), সুন্দরী খাতুন (৬০) এবং গনি পক্ষের আব্দুল মজিদ বাহার (৫০), সুমন হোসেন (২৯), মনিরুল ইসলাম (৪০), আলম হোসেন লিংকন (২২), কাজল (২৭) ও বাদশা (২৭) রয়েছেন। আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে বজলু সরদারের অবস্থা আশঙ্কাজন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ঝাউদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রবিউল ইসলামের নাতি মুন্না (১৫) এবং গণির নাতি মানিক (১৬) মধ্যে ঝগড়া হয়। ওই ঘটনার পর গত রবিবার বিকেলে রবিউল গ্রুপ ও গনি গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

সংঘর্ষের পর রাতে ঝাউদিয়া বাজারে বিএনপির একটি দলীয় অফিসও ভাঙচুর করা হয়েছে। জানা গেছে, দুই পক্ষই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তবে কারা অফিস ভেঙ্গেছে তা কেউই জানেন না।

রবিউল ইসলাম জানান, আমার নাতির সঙ্গে গনি নাতির স্কুলে ঝগড়া হয়েছিল। পরে থানায় মিমাংসার কথা ছিল, কিন্তু হঠাৎ তাদের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে পাঁচ জনকে গুরুতর আহত করেছে। এর মধ্যে বজলু সরদারের মাথায় ২৫টি শেলাই লেগেছে, তার অবস্থা আশঙ্কাজন।

অপরদিকে গনি তার নাতির স্কুলের ঝগড়ার কথা স্বীকার করে বলেন, গতকাল তারা আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালিয়ে আমাদের ৭জনকে আহত করেছে এখন তারা সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সোলায়মান শেখ জানান, বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের ১২ জন আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। উভয় পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে বিএনপির দলীয় অফিস ভাঙচুরের বিষয়ে কেউ অভিযোগ দেয়নি।