# Tags

খাগড়াছড়িতে এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় যান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমনের চারা রোপণ মেশিন বিতরণ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।। পার্বত্য অঞ্চলে কৃষির আধুনিকায়ন ও যান্ত্রিক প্রযুক্তির বিস্তার ঘটাতে খাগড়াছড়ি জেলায় “স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি)” প্রকল্পের আওতায় যান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমন ধানের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রবিবার সকালে খাগড়াছড়ি জেলার সদরস্ত বটতলী পাইলটপাড়া প্রযুক্তি গ্রামে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির উদ্যোগে পাঁচ একর জমিতে রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের সাহায্যে যান্ত্রিকভাবে ধানের চারা রোপণ করা হয়।
প্রকল্পের আওতায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সময়োপযোগী আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রচলিত বীজতলার পরিবর্তে প্লাস্টিক ট্রেতে ধানের চারা উৎপাদন করা হয়। পরে রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের মাধ্যমে দ্রুত ও সাশ্রয়ী উপায়ে কৃষকের জমিতে চারা রোপণ করা হয়।

কৃষকরা জানান, এ পদ্ধতিতে শ্রমিক সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং কৃষিকাজে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হবে।

উপকারভোগী কৃষক বাবলু চাকমা বলেন, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে আমাদের শ্রমিক খরচসহ অন্যান্য ব্যয় কমে যাবে। গ্রামের অন্যান্য কৃষকরাও যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধান চাষে আগ্রহী হবেন। এজন্য আমরা প্রকল্প পরিচালক ও ব্রি খাগড়াছড়ির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।

চারা রোপণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ ওঙ্কার বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মীর ওবায়দুর রহমান শাওন।
ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় খাগড়াছড়ির সূত্রে জানা যায়, এর আগে এলএসটিডি প্রকল্পের অর্থায়নে পাঁচ একর জমিতে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য পাঁচজন উপকারভোগী কৃষকের মাঝে প্রয়োজনীয় সার, বালাইনাশক ও সাইনবোর্ড বিতরণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় এ ধরনের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ পার্বত্য অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সময় ও শ্রম সাশ্রয় এবং কৃষকদের আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।